Alhashorহাদীস সম্ভার
মু

মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৭,০০৪

প্রায় ২ মিনিট · ২৬৮ শব্দ

বলেন, আমরা উমার (রাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। এ সময় তিনি বললেন, ফিতনা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস তোমাদের কার স্মরণ আছে? আমি বললাম, আমার স্মরণ আছে। এ কথা শুনে বললেন, ব্যস, তুমি তো খুব সাহসী। তিনি কি বলেছেন, বল। অতঃপর আমি বললাম, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, নিজ সত্তা, সন্তান-সন্ততি এবং প্রতিবেশীর ব্যাপারে মানুষ যে ফিতনায় আক্রান্ত হয়, তার সিয়াম, সালাত, সাদাকা এবং সৎকার্যের আদেশ ও অসৎকার্যে বাধা দানই হল এগুলোর জন্য কাফফারা। এ কথা শুনে উমার (রাঃ) বললেন, আমি তো এ ফিতনা সম্পর্কে শুনতে চাইনি। বরং সমুদ্রের তরঙ্গমালার ন্যায় যে ফিতনা আপতিত, আমি তো কেবল তাই শুনতে চেয়েছি। তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! এ ফিতনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক, এতে আপনার উদ্দেশ্য কি? এ ফিতনা ও আপনার মাঝে এক রুদ্ধদ্বার অন্তরায় রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তা (দ্বার) কি ভাঙ্গা হবে, না খোলা হবে? আমি বললাম, না,খোলা হবে না, বরংভাঙ্গা হবে। এ কথা শুনে উমার (রাঃ) বললেন, তবে তো তা আর কখনো বন্ধ হবে না। বর্ণনাকারী [শাকীক (রহঃ)] বলেন, আমরা হুযায়ফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, কে সে দ্বার উমার (রাঃ) তা কি জানতেন? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগামী দিনের পর রাত, এ কথাটি যেমন জানতেন, ঠিক তদ্রুপঐ বিষয়টিও তিনি জানতেন। হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে ভুল হাদীস শুনাইনি। শাকীক (রহঃ) বলেন, কে সে দ্বার, এ সম্পর্কে হুযায়ফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম। তাই আমরা মাসরুক (রহঃ) কে বললাম, আপনি তাঁকে জিজ্ঞেস করেন। তিনি হুযায়ফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি [হুযায়ফা (রাঃ)] বললেন, (এ দ্বার) উমার (রাঃ) নিজেই।

ছবি বানান