মুসলিম শরীফ - হাদীস নং ৯৪২
তিনি বলেন, ইবনু আশ’আসের শাসনকালে জনৈক ব্যাক্তি যার নাম তিনি উল্লেখ করেছিলেন কুফা বাসীদের উপর তার আধিপত্য স্থাপন করেছিল। তিনি আবূ উবায়দা ইবনু আবদুল্লাহকে সালাত (নামায/নামাজ)-এ ইমামতি করতে নির্দেশ দিলেন। সালাত (নামায/নামাজ) আদায়কালে তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন, তখন এ দু’আটি পাঠ করা পরিমাণ সময় পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকতেনঃ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ (হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক প্রশংসা আপনারই জন্য যা আসমানপূর্ণ ও যমীনপূর্ণ এবং পূর্ণতা ছাড়াও যতটূকু আপনি ইচ্ছা করেন। হে প্রশংসা ও মর্যাদার অধিকারী! আপনি যা দান করবেন তা রোধ করার কেউ নেই। আর আপনি যা রোধ করবেন তা দান করারও কেউ নেই। এবং কোনও সম্পদশালীকেই তার সস্পদ আপনার শাস্তি থেকে বাচাতে পারবে না।) হাকাম বলেন, আমি একথা আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লার নিকট বললাম। তিনি বললেন, আমি বারা ইবনু আযিব (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রুকু এবং রুকু হতে দাঁড়ান, তারপর সিজদা এবং দুই সিজদার মধ্যবর্তী সময় এ সকল প্রায়ই সমান সমান হত। শুবা (রহঃ) বলেন, আমি আমর ইবনু মুররা’র সাথে এ হাদীস নিয়ে আলোচনা করলাম। তিনি বললেন, আমি আবদুর রাহমান ইবনু আবূ লায়লাকে দেখেছি, তার সালাত (নামায/নামাজ) এরুপ ছিল না।