তিরমিযী শরীফ - হাদীস নং ২,৮৭৫
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন উবাই ইবন কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে গেলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডাক দিলেনঃ হে উবাই! উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন নামায পড়ছিলেন। তিনি ফিরে তাকালেন কিন্তু কোন জওয়াব দিলেন না। তবে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে সালাত (নামায) আদায় করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন। বললেনঃ আসসালামু আলায়কা, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওয়া আলায়কাস্ সালাম, হে উবাই! আমি যখন তোমাকে ডাকলাম তখন সাড়া দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? উবাই বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তো সালাতে ছিলাম। তিনি বললেনঃ আমার কাছে যে, ওয়াহী (কুরআন) নাযিল হয়েছে তাতে কি পাওনি যে, রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহবান করেন যা তোমাদের প্রাণবন্ত করে তখন আল্লাহ্ ও রাসূলের আহবানে সাড়া দিবে? (আনফাল ৮ঃ ২৪)। উবাই বললেনঃ নিশ্চিয়ই, ইনশাআল্লাহ্ আমি পুর্নবার এমন করব না। তিনি বললেনঃ তুমি কি পছন্দ কর যে, আমি এমন একটি সূরা তোমাকে শিখিয়ে দেই তওরাত, ইনজীল, যাবূর এবং (এমনকি) কুরআনেও যার মত কোন সূরা নাযিল হয় নি? উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সালাতে কি পাঠ কর? উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহা পাঠ করে শুনালেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জান সেই সত্তার কসম! তওরাত, ইনজিল, যাবূর এবং ফুরকানেও এর মত কোন সূরা নাযিল হয়নি। এই সূরাটি হল বারবার পঠিত সাত আয়াত বিশিষ্ট সূরা এবং মহান কুরআন যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে।*