Alhashorহাদীস সম্ভার
তি

তিরমিযী শরীফ - হাদীস নং ৩,১৪৭

প্রায় ২ মিনিট · ২৮৬ শব্দ

তিনি বলেন, আমি হুযায়ফা ইবন ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বায়তুল মুকাদ্দাসে সালাত (নামায) আদায় করেছেন? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ অবশ্যই তা আদায় করেছেন। তিনি বললেনঃ হে টেকো, তুমি এ কথা বলছ? এবং তুমি কেন তা বলছ? আমি বললামঃ কুরআন থেকে বলছি। আমার ও আপনার মাঝে কুরআন ফায়সালা করবে। হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ কুরআন থেকে যে ব্যক্তি দলীল পেশ করে সে সফলকাম। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি বলেছেন, সে সঠিক দলীল পেশ করেছে। আর অনেক সময় তিনি বলেছেন, সে সফলকাম হয়েছে। যিরর ইবন হুবায়শ (রহঃ) বললেনঃ (سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ لَيْلاً مِنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الأَقْصَى) - পবিত্র ও মহিমাময় তিনি যিনি তার বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায় (১৭ঃ ১)। হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তোমার কি মনে হয়, যে তিনি সেখানে সালাত (নামায) আদায় করেছেন? আমি বললামঃ না। তিনি বললেনঃ যদি সেখানে তিনি সালাত (নামায) আদায় করতেন তবে তোমাদের জন্য সেখানে সালাত (নামায) আদায় করা জরুরী হয়ে যেত যেমন মসজিদুল হারাম কা’বায় সালাত (নামায) আদায় করা জরুরী। হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বললেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এরূপ (হাত দিয়ে ইশারা করে দেখালেন) সুপ্রশস্ত দীর্ঘ পিঠ বিশিষ্ট একটা জন্তু আনা হল। চোখের দৃষ্টি দূরত্ব পরিমাণ ছিল তার এক একটি পদক্ষেপ। তারা বুরাকের পিঠে আরোহণ করে জান্নাত, জাহান্নাম এবং আখিরাতে ওয়াদাকৃত সবকিছু পরিদর্শণ করলেন, পরে তারা উভয়েই ফিরে আসলেন। যাত্রা শুরু মাত্রই ছিল তাদের এই প্রত্যাবর্তন। (অর্থাৎ বেশী সময় এতে লাগেনি যেন শুরু হতেই তা শেষ হয়ে গিয়েছিল)। তিনি আরো বলেন, লোকেরা বর্ণনা করে যে, তিনি এটি বেঁধে রেখেছিলেন। কেন বাঁধবেন! পালিয়ে যাবে বলে কি? গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু সম্পর্কে যিনি জানেন সেই মহাসত্যই এটিকে তাঁর জন্য বাধ্যগত করে দিয়েছিলেন। (আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।

ছবি বানান