আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৭৮৬
তিনি বলেন, আমি উছমান (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি যে, আপনারা সূরা বারাআত-কে সূরা আনফালের অন্তর্ভূক্ত করে আল-কুরআনের সাবউল মাছানী (সাতটি সূরা)-এর মধ্যে কিরূপে পরিগণিত করেন এবং উভয় সুরার মধ্যস্থলে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম কেন লিখেন নাই? অথচ বারাআত সূরাটি মইন-এর অন্তর্ভুক্ত (অর্থাৎ যাতে ১০০-র অধিক আয়াত আছে এবং বারাআতে ১২৯ আয়াত আছে)। অপরপক্ষে সুরা আনফাল মাছানীর অন্তর্ভুক্ত (কেননা এতে ১০০-এর কম অর্থাৎ ৭৫ টি আয়াত আছে)। উছমান (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর যখনই কোন আয়াত নাযিল হত, তখন তিনি ওহী লেখক সাহাবীদের ডেকে বলতেনঃ এই আয়াত অমুক সূরার অমুক স্থানে সন্নিবেশিত কর যার মধ্যে এই এই বিষয় আলোচিত হয়েছে। অতঃপর তাঁর উপর যখন একটি বা দুটি আয়াত নাযিল হত, তখনও তিনি ঐরূপ বলতেন। সুরা আল্-আনফাল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর মদীনায় আসার পরপরই নাযিলকৃত সূরা সমূহের অন্যতম এবং সূরা বারাআত অবতীর্ণ হয় কুরআন নাযিলের সমাপ্তিকালে। কিন্তু সূরা আনফালে বর্ণিত ঘটনাবলীর সঙ্গে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সংগে সূরা বারাআতে বর্ণিত ঘটনাবলীর সা’দৃশ্য রয়েছে। কাজেই আমি মনে মনে স্থির করি যে, এটি সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য আমি দুটি সূরাকে একত্রে সাবউত-তিলাওয়াত-এর অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং এ কারণেই এই দুইটি সূরার মাঝখানে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম লিপিবদ্ধ করিনি। ।