Alhashorহাদীস সম্ভার
দা

আবু দাউদ শরীফ - হাদীস নং ৯৭২

প্রায় ৩ মিনিট · ৩৬০ শব্দ

তিনি বলেন, একদা আবু মূসা আল্-আশআরী (রাঃ) আমাদের সাথে জামাআতে নামায আদায়ের পর যখন সর্বশেষ বৈঠকে বসেন, তখন এক ব্যক্তি বলেঃ কল্যাণ ও পবিত্রতার মধ্যে নামায সুস্থির হয়েছে। আবু মূসা (রাঃ) নামায শেষে লোকদের প্রতি লক্ষ্য করে বলেনঃ তোমাদের মধ্যেকার কোন ব্যক্তি এরূপ কথা বলেছে? রাবী বলেনঃ সমবেত সকলে নিশ্চুপ থাকে। পুনরায় তিনি একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে সকলে একইরূপে চুপ থাকে। তখন তিনি বলেনঃ হে হিত্তান! সম্ভবত তুমিই এরূপ বলেছ। জবাবে তিনি বলেনঃ আমি তা বলি নাই। তবে আমি ভয় করেছিলাম যে, এ ব্যাপারে হয়ত আমাকেই দোষারোপ করা হবে। রাবী হিত্তান বলেনঃ এমন সময় কওমের মধ্যেকার এক ব্যক্তি বলল, আমিই তা বলেছি। তবে আমি এরূপ বলার দ্বারা ভালো কিছুর আশা করেছিলাম। তখন আবু মূসা (রাঃ) বলেনঃ তোমরা কি অবগত নও তোমরা নামাযের মধ্যে কি বলবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম. এ সম্পর্কে আমাদের খুতবার মধ্যে শিক্ষা দিয়েছিল এবং নিয়ম কানুন ও নামায সম্পর্কে বিশেষরূপে জ্ঞাত করিয়েছেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ যখন তোমরা নামায আদায়ের ইরাদা করবে, তখন সোজাভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে এবং তোমাদের মধ্যেকার একজন ইমামতি করবে। ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলবেন তখন তোমরাও তা বলবে এবং যখন ইমাম ’’গায়রিল মাগদূবে আলায়হিম ওলাদদাল্লীন পড়বেন তখন তোমরা ’’আমীন’’ বলবে। (এর ফলশ্রুতিতে) আল্লাহ পাক তোমাদের দু’আ কবুল করবেন। অতঃপর ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলে রুকু করবেন, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বেই রুকুতে গমন করবেন এবং উঠবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, এটা ওর পরিবর্তে । অতঃপর ইমাম যখন ’’সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’’ বলবেন, তখন তোমরা বলবেঃ ’’আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদু।’’ আল্লাহ তোমাদের ওটা কবুল করবেন। কেননা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু তাঁর নবীর যবানীতে ’’সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলিয়েছেন। অতঃপর ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলে সিজদা করবেন, তখন তোমরাও তা বলে সিজদা করবে এবং যেহেতু ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদায় গমন করবেন, সেহেতু তিনি তোমাদের পূর্বেই উঠবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসালাম বলেছেনঃ এটা ওটার পরিবর্তে। অতঃপর তোমরা যখন বৈঠকে বসবে, তখন তোমরা বলবেঃ ’’আত্তাহিয়্যাতু ওয়াততায়্যেবাতু ওয়াস্-সালাতু লিল্লাহে আস্-সালামু আলায়কা আয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহে ওয়া বারাকাতুহু আস্-সালামু আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালেহীন। আশহাদু আন্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াআশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।’’ রাবী আহমদের বর্ণনায় ’’ওয়া বারাকাতুহু’’ ও ’’আশহাদু’’ শব্দ দুইটির উল্লেখ নাই বরং ’’ওয়া আন্না মুহাম্মাদান’’ এর উল্লেখ আছে।

ছবি বানান