তিরমিযী শরীফ - হাদীস নং ৩,২০০
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবন নাযর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নামেই আমার নাম আনাস রাখা হয়েছিল। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বদরে হাযির থাকতে পারেন নি। এটা তাঁর কাছে খুবই গুরুতর বলে মনে হল। তিনি বললেনঃ প্রথম যে যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযির হলেন তা থেকে আমি অনুপস্থিত থাকলাম, আল্লাহর কসম, তিনি যদি আমাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কোন যুদ্ধে শরীক হওয়ার তওফীক দেন তবে আমি কি করব, তা অবশ্যই আল্লাহ্ কে প্রদর্শন করব। তিনি এর বেশী অন্য কিছু বলতে ভয় পেলেন। পরবর্তী বছর তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে উহুদ যুদ্ধে শরীক হন। সা’দ ইবন মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সামনা-সামনি সাক্ষাত হলে সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হে আবূ আমর, কোথায় যাচ্ছেন? তিনি বললেনঃ বাহ, উহুদের পাশ থেকে আমি জান্নাতের সুগদ্ধি পাচ্ছি। এরপর তিনি লড়াই করতে করতে শহীদ হয়ে গেলেন তাঁর শরীরে আশিরও অধিক তরবারী, বর্শা ও তীরের আঘাত পাওয়া যায়। আমার ফুফু রুবায়’ বিনতে নাযর বলেন, আমার ভাইকে কেবল আঙ্গুলের মাথাগুলো দ্বারাই চিনতে পেরেছিলাম। এ প্রসঙ্গেই এই আয়াতটি নাযিল হয়ঃ رجالٌ صَدَقُوا مَا عَاهَدُوا اللَّهَ عَلَيْهِ فَمِنْهُمْ مَنْ قَضَى نَحْبَهُ وَمِنْهُمْ مَنْ يَنْتَظِرُ وَمَا بَدَّلُوا تَبْدِيلاً (মু’মিনদের মধ্যে) কতক আল্লাহর সঙ্গে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ শাহাদাত বরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা তাদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেনি। (আহযাব ২৩)।